ঢাকা, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩১

নেইমারের পায়ে শিকল দেবেন ‘সতীর্থ’ মুনিয়ের!

খেলা ডেস্ক . ২৪আপডেট নিউজ
২০১৮ জুলাই ০৬ ১০:৩৯:৫৮
নেইমারের পায়ে শিকল দেবেন ‘সতীর্থ’ মুনিয়ের!

দায়িত্ব দিয়ে ভরসাও রাখছেন। বেলজিয়ান কোচ রবার্তো মার্টিনেজ প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাসী, পায়ে শিকল পরিয়ে নেইমারকে মাঠে ঠিকই আসামীর মতো ঠায় দাঁড় করিয়ে রাখতে সক্ষম হবেন মুনিয়ের। অতীতে যে একবার নেইমারকে মাঠে নিষ্প্রভ-মূর্তি করে রাখতে পেরেছে, সে দ্বিতীয় বার পারবে না কেন!

২০১৭ সালে এই নেইমারকেই একবার মাঠে পুরো অকার্যকর রেখেছিলেন মুনিয়ের। নেইমার তখন ছিলেন বার্সেলোনায়। মুনিয়ের ছিলেন পিএসজিতেই। তো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোল’র ম্যাচে মুখোমখি হয়েছিল পিএসজি ও বার্সেলোনা। পিএসজির মাঠের প্রথম লেগে লেফট-ব্যাক মুনিয়ের লেফট উইং নেইমারকে বল নিয়ে কোনো মুভই করতে দেননি। ম্যাচটাও মুনিয়েরের পিএসজি জিতেছিল ৪-০ গোলে। নেইমারকে পুরো নিষ্প্রভ রাখার পাশাপাশি দলের একটা গোলেও অ্যাসিস্ট করেছিলেন মুনিয়ের।

মার্টিনেজ চান, শুক্রবার মুনিয়ের ঠিক সেই খেলাটাই খেলুক। মার্টিনেজের বিশ্বাস মুনিয়ের তা পারবেনও, ‘মুনিয়ের দিক থেকে ওটা ছিল অসাধারণ এক ডিফেন্সিভ পারফরম্যান্স। সম্ভবত নেইমারের বিপক্ষে একজন ডিফেন্ডারের সেরা পারফরম্যান্সও। যে দিনটিতে বার্সেলোনার বিপক্ষে পিএসজি জিতেছিল ৪-০ গোলে। সত্যিই সেদিন নেইমারের প্রান্তে দুর্দান্ত করেছিল সে। আশা করি, এবারও সে সেরকম কিছুই করতে পারবে।’

নেইমারই ব্রাজিল দলের প্রানভোমড়া। পিএসজি তারকা দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকোর বিপক্ষে দেখিয়েছেন তা। মার্টিনেজও ভালো করেই জানেন, ব্রাজিলকে হারাতে হলে সবার আগে থামাতে হবে নেইমারকে। সেজন্যই তিনি গুরুদায়িত্বটা তুলে দিচ্ছেন পরীক্ষিত সৈনিক মুনিয়েরের কাঁধে। নেইমারের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে খেলার অভিজ্ঞতা আছে এই বেলজিয়াম দলের আরেকজনেরও। তিনি থমাস ভারমিউলেন। নেইমার-ভারমিউলেন এক সঙ্গেই খেলেছেন বার্সেলোনায়। সুতরাং মার্টিনেজের বিশ্বাস, মুনিয়ের-ভারমিউলেন মিলে নেইমারকে বোতল-বন্দী করতে সক্ষম হবেন।

তবে মার্টিনেজ এটাও জানেন, নেইমার ছাড়াও এই ব্রাজিল দলের আক্রমণভাগে আছেন ফিলিপে কুতিনহো, গ্যাব্রিয়েল জেসুস, রবার্তো ফিরমিনোর মতো পরীক্ষিত ফরোয়ার্ডেরা। সর্বোপুরি দলটার নাম ব্রাজিল। দল হিসেবে যারা ফুটবল মাঠে যেকোনো কিছুতেই করতে পারে। তাই বলছেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে কয়েকজন খেলোয়াড়ের বিপক্ষে লড়াইয়ের কথা আমাদের ভুলে যেতে হবে। কারণ দল হিসেব তারা অন্যরকম।’

দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকানরাও নেইমারকে নজর-বন্দী রাখার কৌশল এঁটেই নেমেছিল মাঠে। কিন্তু পারেনি। উল্টো নেইমারই মেক্সিকানদের পায়ে বাড়ি ফেরার রসি পরিয়ে দিয়েছেন! দেখা যাক, কোয়ার্টার ফাইনালে দুই ‘সতীর্থে’র যুদ্ধে কে জয়ী হন, মুনিয়ের নাকি নেইমার?

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ



রে