ঢাকা, মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল ২০২৫, ১৭ চৈত্র ১৪৩১

MD. Razib Ali

Senior Reporter

স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি: কারণ, প্রতিরোধ এবং সচেতনতা

স্বাস্থ্য ডেস্ক . ২৪আপডেট নিউজ
২০২৫ মার্চ ২৯ ১৪:১০:২৬
স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি: কারণ, প্রতিরোধ এবং সচেতনতা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা জরুরি

স্তন ক্যান্সার নারীদের মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ ক্যান্সারের মধ্যে একটি। তবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা থাকলে এর ঝুঁকি কমানো সম্ভব। আপনি কি জানেন, নিয়মিত ব্যায়াম এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস স্তন ক্যান্সারের সম্ভাবনা অনেকটাই কমিয়ে দিতে পারে? আসুন জেনে নিই কীভাবে আমরা আমাদের জীবনধারায় পরিবর্তন এনে এই ঝুঁকি কমাতে পারি।

স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় যেসব কারণ

অতিরিক্ত ওজনবয়স বাড়ার সাথে সাথে ওজন বেশি হলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। অতিরিক্ত চর্বি ইস্ট্রোজেন হরমোন তৈরি করে, যা ক্যান্সারের কারণ হতে পারে।

শিশুকে বুকের দুধ না খাওয়ানোযেসব মা শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ান না, তাদের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি থাকে।

ধূমপান ও মদ্যপাননিজে ধূমপান করা বা ধূমপায়ীর কাছাকাছি থাকাও ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। মদ্যপানও স্তন ক্যান্সারের একটি কারণ।

শারীরিক পরিশ্রমের অভাবযারা ব্যায়াম করেন না, তাদের স্তন ক্যান্সারের সম্ভাবনা বেশি থাকে।

জন্মবিরোধক পদ্ধতি ও হরমোন থেরাপিকিছু জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি এবং কম্বাইন্ড হরমোন থেরাপি স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি সামান্য বাড়িয়ে দিতে পারে।

অপ্রয়োজনীয় এক্স-রে ও সিটি স্ক্যানবেশি মাত্রায় রেডিয়েশন শরীরের কোষের ক্ষতি করে, যা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

কীভাবে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানো যায়?

ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন: মাত্র ২ কেজি ওজন কমিয়ে সেটি ধরে রাখলেও ঝুঁকি কমে।

পুষ্টিকর খাবার খান: শাকসবজি, ফলমূল, কম চর্বিযুক্ত খাবার বেশি খান।

নিয়মিত ব্যায়াম করুন: প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা বা অন্যান্য ব্যায়াম করুন।

শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ান: এটি মা ও শিশুর জন্য উপকারী।

ধূমপান ও মদ্যপান পরিহার করুন: নিজের পাশাপাশি পরিবারের অন্যদেরও সচেতন করুন।

ডাক্তারের পরামর্শ নিন: জন্মবিরোধক পদ্ধতি বা হরমোন থেরাপি নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

অপ্রয়োজনীয় এক্স-রে ও সিটি স্ক্যান এড়িয়ে চলুন।

নিয়মিত স্তন পরীক্ষা করুন

নিজে নিজে স্তন পরীক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি স্তনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখতে পান, তবে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন। ৩৫ বছরের বেশি হলে বছরে অন্তত একবার স্তনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো উচিত।

স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ান।

সঠিক তথ্য শেয়ার করুন এবং অন্যদেরও সচেতন করুন।

আপনার স্বাস্থ্য আপনার হাতেই!

মো: রাজিব আলী/

স্বাস্থ্য - এর সব খবর

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ