ঢাকা, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১

হারল শ্রীলঙ্কা, ব্যথাটা পেল পাকিস্তান

খেলা ডেস্ক . ২৪আপডেট নিউজ
২০২৩ নভেম্বর ০৯ ২৩:০৮:৩০
হারল শ্রীলঙ্কা, ব্যথাটা পেল পাকিস্তান

একটি কথা আছে যখন দয়ার কথা আসে - মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশি। ব্যথার দিক থেকে খুব বেশি নয়। বলা যায়, শ্রীলঙ্কার ব্যথার চেয়ে পাকিস্তানের ব্যথা বেশি।

আজ বেঙ্গালুরুতে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৫ উইকেটে হেরেছে শ্রীলঙ্কা। এতে শ্রীলঙ্কার ক্ষতি, অস্ট্রেলিয়ার কাছে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের কাছে ইংল্যান্ড অনেক বড় ব্যবধানে হেরে না গেলে তাদের ২০২৫ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলা হচ্ছে না।

তবে এই ম্যাচে তো যুযুধান দুই দলের পাশাপাশি আরও দুটি দলের চোখ ছিল। সেই দুই দল বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের জন্য বড় খবর হলো, শ্রীলঙ্কার ১৭১ রান নিউজিল্যান্ড পেরিয়ে গেছে ১৬০ বল হাতে রেখে! তাতে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দৌড়ে বাংলাদেশের সুবিধা - অস্ট্রেলিয়ার কাছে এখন তারা এর চেয়ে বড় ব্যবধানে না হারলে আর নেদারল্যান্ডস অবিশ্বাস্যভাবে ভারতকে হারিয়ে না দিলে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলবে। আর পাকিস্তানের বেড়েছে ব্যথা, তাদের যে সেমিফাইনাল খেলা অসম্ভবই হয়ে পড়েছে। নিউজিল্যান্ড রান রেটে বিশাল লাফ দেওয়ায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের ম্যাচে পাকিস্তানের পক্ষে তা ঘোচানো এক কথায় অসম্ভবই হয়ে গেছে।

শ্রীলঙ্কার ব্যাটিংয়ের পরই পাকিস্তানের সেমিফাইনাল সম্ভাবনার জলাঞ্জলি প্রায় হয়ে গেছে। তবু শেষ উইকেটে ইনিংস সর্বোচ্চ ৪৩ রানের জুটিতে শ্রীলঙ্কা ১৭০ পেরোনোর পর দেখার ছিল, নিউজিল্যান্ড কোনো হোঁচট খায় কি না। কোথায় কী! উদ্বোধনী জুটিতেই ৭৪ বলে এসে গেছে ৮৬ রান। পাকিস্তানের সব আশা-ভরসা তো ওখানেই শেষ!

৪২ বলে ৯ চারে ৪৫ রান করে ডেভন কনওয়ে আউট হলেন ১৩তম ওভারে, এরপর অবশ্য অনেকটা জোড়ায় জোড়ায় ধাক্কা খেয়েছে নিউজিল্যান্ড। রাচিন রাভিন্দ্র আউট হলেন পরের ওভারে। আউট হওয়ার আগে অবশ্য ৩৪ বলে ৩ চার ও ৩ ছক্কায় ৪২ রানে নিউজিল্যান্ডকে অনেকটা এগিয়ে দিয়েছেন।

কিন্তু পরপর দুই ওভারে দুই ওপেনারকে হারানোয় নিউজিল্যান্ডের রানের গতিতে কিছুটা ভাটা পড়ে। কেইন উইলিয়ামসন ক্রিজে সেট হতে কিছুটা সময় নিয়েছেন, ড্যারিল মিচেল চারে নেমে অবশ্য শুরু থেকেই মেরে খেলেছেন। ১৫তম ওভারে ১০০ পেরোনো নিউজিল্যান্ড অবশ্য ১৯তম ওভারে দলীয় ১৩০ রানে হারায় উইলিয়ামসনকে (১৫ বলে ১৪)। মারতে গিয়ে প্লেইড অন হয়েছেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক।

এরপর ২১তম ওভারে দলকে ১৪৫ রানে রেখে রানআউট হয়ে গেছেন মার্ক চ্যাপম্যানও। বলতে গেলে নিজের উইকেটটা বিসর্জনই দিতে বাধ্য হয়েছেন তিনি! ড্যারিল মিচেলের ভুল ডাকে সাড়া দিয়েও পরে রান নিতে নিষেধ করেছিলেন চাপম্যান, কিন্তু ততক্ষণে মিচেল দৌড়ে তাঁকে পেরিয়ে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত নিশ্চিত আউট জেনেও ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে যান চাপম্যান।

শুরু থেকেই মারতে শুরু করা মিচেল অবশ্য দলকে জয়ের দিকেই নিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু জয়ের বন্দরে নোঙর করানো হলো না তাঁর। ৩১ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় ৪৩ রান করে তিনিও যখন ম্যাথুসের বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন, তখন আর জয়ের জন্য ৯ রান দরকার নিউজিল্যান্ডের। চার বলের মধ্যেই তা করে ফেললেন ফিলিপস ও ল্যাথাম।

খেলা - এর সব খবর

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ