ঢাকা, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫, ২৩ চৈত্র ১৪৩১

অবশেষে বাংলাদেশের দেখানো পথেই হাটলো ইংল্যান্ড

খেলা ডেস্ক . ২৪আপডেট নিউজ
২০২৩ নভেম্বর ০৫ ১১:৫৬:০৪
অবশেষে বাংলাদেশের দেখানো পথেই হাটলো ইংল্যান্ড

ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে এসেছিল ইংল্যান্ড। তার সাম্প্রতিক ফর্ম বিবেচনা করে, তিনি শিরোপার অন্যতম দাবিদারও ছিলেন।

কিন্তু শক্তিশালী ইংল্যান্ডের অবস্থা খুবই শোচনীয়। তারা ধারাবাহিকভাবে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে রয়ে গেছে। এবার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরেছে তারা। এই পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে সেমিফাইনালে যাওয়ার লড়াই থেকে ছিটকে গেল। অন্যদিকে, জয়ী দল অস্ট্রেলিয়া এক ধাপ এগিয়ে শেষ চারের দিকে।আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া সব উইকেট হারিয়ে ২৮৭ রানের লক্ষ্য দেয়। জবাবে ২৫৩ রানে অলআউট হয়ে যায় ব্রিটিশরা। ফলে আজিরা ৩৩ রানে জয়ী হয়।

এই জয়ে অস্ট্রেলিয়া ১০ পয়েন্ট নিয়ে নিউজিল্যান্ডের উপরে চলে এসেছে। তাদের বাকি দুটি ম্যাচ আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের বিপক্ষে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ৭ ম্যাচের মধ্যে ৬টিতে হেরে সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছে। অন্যদিকে, পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থাকা ইংল্যান্ডকে এখন ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সুযোগ পেতে বাকি দুটি ম্যাচই জিততে হবে।

লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে শুরুতেই বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। ইনিংসের প্রথম বলেই ফাস্ট বোলার মিচেল স্টার্ককে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ওপেনার জনি বেয়ারস্টো। এরপর তাড়াতাড়ি ফেরেন জো রুট (১৩)। তবে তৃতীয় উইকেট জুটিতে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছে ইংল্যান্ড। ওপেনার ডেভিড মালান ও বেন স্টোকস ভালো জুটি গড়েন। কিন্তু আবারও অল্প সময়ে দুই উইকেট হারিয়েছে ইংল্যান্ড।

পরে স্টোকস ও মঈন আলীর মধ্যে আবারও জুটি গড়ে ওঠে। স্টোকস (৬৪), মঈন (৪২) এবং শেষ পর্যন্ত ক্রিস ওকস (৩২) লড়াই চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। পরে আদিল রশিদ (২০), ডেভিড উইলি (১৫) ম্যাচটি ৪৯তম ওভার পর্যন্ত নিয়ে যান। কিন্তু এটি শুধুমাত্র পার্থক্য কমিয়েছে।

বল হাতে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেন অস্ট্রেলিয়ান স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা। তিনি ২১ রানে ৩ উইকেট নেন। এর আগে ব্যাট হাতে ২৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসও খেলেছিলেন তিনি। একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচ ধরলেন। এছাড়া স্টার্ক, জশ হ্যাজেলউড ও অধিনায়ক প্যাট কামিন্স নেন ২-২ উইকেট।

এর আগে টস জিতে অজিদকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান ইংল্যান্ডের অধিনায়ক জস বাটলার। ৩৮ রানের মধ্যে প্যাভিলিয়নে ফেরেন দুই ওপেনার ট্র্যাভিস হেড ও ডেভিড ওয়ার্নার। লাবুশ্যাগনে এবং স্টিভেন স্মিথও অনুসরণ করেছিলেন। তৃতীয় উইকেটে ৭৫ রান যোগ করেন তিনি।

স্মিথ ৪৪ রানে ফিরে গেলেও লাবুশ্যাগনে পঞ্চাশ রান করেন। পঞ্চম উইকেটে ক্যামেরন গ্রিনের সঙ্গে ৬১ রানের জুটি গড়েন তিনি। মার্ক উডের কনুইতে ক্যাচ দিয়ে ৮৩ বলে ৭ চারের সাহায্যে ৭১ রান করে আউট হন তিনি। এরপর সবুজের ৪৭ রান, মার্কাস স্টয়নিসের ৩৫ রান এবং অ্যাডাম জাম্পারের ২৯ রানের ক্যামিও ইনিংসে আজিরা ২৫০ পেরিয়ে যায়। তবে ইনিংসের তিন বল বাকি থাকতে ২৮৬ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা।

ইংলিশদের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন ক্রিস ওকস। এছাড়া দুটি করে উইকেট নেন উড ও আদিল রশিদ।

খেলা - এর সব খবর

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ