ঢাকা, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩১

জীবিকার জন্য কঠোর সংগ্রাম করে নতুন আলোর প্রত্যাশায় মালয়েশিয়া প্রবাসীরা

বিশ্ব ডেস্ক . ২৪আপডেট নিউজ
২০২১ জানুয়ারি ০২ ১৮:০৪:৩০
জীবিকার জন্য কঠোর সংগ্রাম করে নতুন আলোর প্রত্যাশায় মালয়েশিয়া প্রবাসীরা

জনগোষ্ঠীর বৃহত্তর একটি অংশ প্রবাসে জীবিকার কঠোর সংগ্রামে, সমস্যার ভারে ক্লান্ত। তারপরও কালপরিক্রমায় পুরনো বছরের গ্লানি মুছে বছরের নতুন আশায় স্বপ্ন দেখছেন তারা এবং দাবি জানিয়েছেন সামাজিক সুরক্ষার।

করোনাকালে মালিক পরিবর্তন করার সুযোগ করে দিয়েছে হাইকমিশন। সংক্রমণের মাঝে কয়েক হাজার কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। বেতনহীন কর্মী যেন ছাঁটাই না করে। বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে করোনার মাঝে দেশে ফেরত গেলেও মালয়েশিয়া থেকে একজনকেও কাজ হারিয়ে দেশে যেতে হয়নি।

এছাড়া দেশে ছুটিতে গিয়ে আটকেপড়া প্রবাসীদের সবচেয়ে বড় বাধা হলো করোনাভাইরাস পরিস্থিতি। বর্তমানে মালয়েশিয়ায় করোনা পরিস্থিতি খুবই নাজুক। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই তখন মালয়েশিয়া প্রবেশে কোনো সমস্যা হবে না বলছে হাইকমিশন।

এছাড়া পরিবেশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই নতুন বছরে নতুন কর্মী নিয়োগের দ্বার উন্মুক্ত হবে বলেও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এদিকে দেশটিতে বসবাসরত অবৈধ বিদেশি কর্মীদের বৈধকরণ প্রক্রিয়া নিয়ে বছরজুড়ে ছিল আলোচনায়। শেষমেষ শর্তসাপেক্ষে ১৬ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে অবৈধদের বৈধকরণ প্রক্রিয়া।

রি-ক্যালিব্রেশন নামের এই প্রক্রিয়ায় শ্রমিক বৈধকরণ নিবন্ধনে সরকার আগের মতো কোনো ভেন্ডর বা এজেন্ট নিয়োগ করেনি। এবার সরাসরি দেশটির শ্রম ও মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। যদি কোনো তৃতীয় পক্ষ, এজেন্ট বা দালাল শ্রমিকদের সঙ্গে কোনো রকম প্রতারণা বা জালিয়াতি করে তাহলে মালয়েশিয়ার প্রচলিত আইনের আওতায় এনে বিচার করা হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয় বলছে, শ্রমিক নিয়োগে কোনো ধরনের প্রতারণা বা জালিয়াতি করা হলে দেশটির বেসরকারি কর্মসংস্থান সংস্থা জাতীয় সংবিধান ১৯৮১ সালের ২৪৬ এর ৭ ধারায় প্রতারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ৩ বছর কারাদণ্ড এবং ২ লাখ রিঙ্গিত যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

সরকার এ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছে এবং সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হবে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা। এ ধরনের অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত অবৈধ অভিবাসী কর্মী রি-হিয়ারিং (পুনঃনিয়োগ) প্রকল্প পরিচালিত হয়েছিল। ওই প্রকল্পে দালাল ও এজেন্টদের কাছে টাকা ও পাসপোর্ট দিয়ে বিভিন্ন দেশের লাখ লাখ অভিবাসী কর্মী প্রতারণা ও জালিয়াতির শিকার হয়েছিলেন।

এই প্রতারণার বিষয়টি দেশটির সরকার ও দূতাবাসে অবহিত করা হলেও সংশ্লিষ্ট প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়নি। কারণ প্রতারক চক্র অভিবাসী কর্মীদের কাছ থেকে টাকা ও পাসপোর্ট হাতিয়ে নেয়ার সময় কোনো মানি রিসিট বা কোনো ডকুমেন্টস দেয়নি।

প্রবাসীদের অভিযোগ, গত বছর দালাল ও এজেন্টের মাধ্যমে প্রতারিত হয়ে বৈধতার সুযোগ হারিয়েছেন, খোঁয়া গেছে পাসপোর্টও। যেহেতু এ বছর ভেন্ডর বা এজেন্ট নিয়োগ না দিয়ে মালিকের মাধ্যমে বৈধতার সুযোগ দেয়া হয়েছে, তাই প্রতারণাও হবে না বলে আশা করছেন প্রবাসীরা। তবে সময়মতো পাসপোর্ট হাতে না পেলে এবারও বৈধতার সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন প্রবাসীরা।

পাসপোর্ট নিয়ে প্রবাসীদের সংশয় কাটাতে এবং কর্মক্ষেত্রে সঠিক সময়ে ভিসা রিনিউ করতে পারেন সে লক্ষ্যে সব নীতিমালা অনুসরণ করে ছুটির দিনসহ দূতাবাস কর্মীরা অবিরাম দিন-রাত কাজ করে করোনার মধ্যেও প্রায় এক লাখ পাসপোর্ট বিতরণ করেছেন।

সূত্র জানায়, সিএমসিও এবং এসওপি নির্দেশনা মেনে প্রতিদিন ১৩শ’ পাসপোর্ট বিতরণ করা হচ্ছে এবং প্রতিদিন প্রায় ১৫শ’ নতুন পাসপোর্টের আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে। এছাড়া পাসপোর্ট সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার সমাধান ও অন্যান্য সেবা নিয়মিত দেয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শনিবার ও রোববার মালয়েশিয়ায় সরকারি ছুটি। এই দুই দিন দূতাবাসের সব কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও প্রবাসীদের দ্রুত পাসপোর্ট সেবা নিশ্চিত করতে পাসপোর্ট সার্ভিস শাখার কর্মীরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

বৈধ হতে নতুন পাসপোর্টের আবেদন বৃদ্ধি পেয়েছে আগের চেয়ে কয়েক গুণ। প্রবাসী বাংলাদেশিদের হাতে দ্রুত পাসপোর্ট পৌঁছে দিতে পাসপোর্ট কার্যক্রম সময়োপযোগী করতে অ্যানালগ থেকে ডিজিটালাইজেশন করা হয়েছে। মালয়েশিয়ার সরকার স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং সিস্টেম-এসওপি ঘোষণার মাধ্যমে অধিক গণজমায়েতকে নিষিদ্ধ করেছে।

তবুও প্রবাসীদের পাসপোর্টের প্রয়োজনীয়তাকে গুরুত্ব দিয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করোনা মহামারিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দূতাবাসের কর্মীরা পাসপোর্ট বিতরণ করে যাচ্ছেন।

বিদেশি দূতাবাসের মধ্যে একমাত্র মালয়েশিয়া ডাকযোগে পাসপোর্টের আবেদন গ্রহণ চালু রেখেছে বাংলাদেশ হাইকমিশন। পাসপোর্ট বিতরণে অনলাইন বুকিং সিস্টেমসহ পাসপোর্ট সংক্রান্ত যে কোনো সমস্যা সমাধানের বিষয়টি সহজ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পাসপোর্ট অ্যান্ড ভিসা শাখার প্রধান মো. মশিউর রহমান তালুকদার জানান, মালয়েশিয়া সরকার একটানা লকডাউন ঘোষণার পাশাপাশি কন্ডিশনাল মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (সিএমসিও), স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং সিস্টেম (এসওপি) জারি রেখেছে। এসব সরকারি বিধিমালা অনুসরণ করে পাসপোর্ট সার্ভিস স্বাভাবিক রাখা কঠিন চ্যালেঞ্জ।

তিনি বলেন, ‘প্রবাসীদের কর্মক্ষেত্র স্বাভাবিক ও নিবিড় করতে পাসপোর্ট সংক্রান্ত সব ধরনের সেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং দ্রুত পাসপোর্ট বিতরণে দূতাবাস আন্তরিকভাবে কাজ করছে।’

মালয়েশিয়ায় নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মো. গোলাম সারওয়ার বলেছেন, ‘পাসপোর্ট দ্রুত ডেলিভারি দিতে ইতোমধ্যে হাইকমিশনে ছয় জনকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে এবং আরো লোকবল নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন। মালয়েশিয়া পোস্ট অফিসের সঙ্গে আমাদের আলোচনা হয়েছে, যাতে করে দূরে কর্মরত কর্মীদের কাছে সহজে পাসপোর্ট পৌঁছে দেয়া যায়।’

বৈধকরণ নিয়ে রাষ্ট্রদূত জানান, রিক্যালিব্রেশন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ নিয়োগদাতা বা মালিক নির্ভর। না জেনে না বুঝে কারো সঙ্গে আর্থিক লেনদেন না করার পরামর্শ দেন তিনি। এছাড়া নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে মালয়েশিয়ার আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানান হাইকমিশনার মো. গোলাম সারওয়ার।

এছাড়া নতুন বছরের শুরুতে নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়েরে ‘গোপন’ ফোন অ্যাপ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বহু-ভাষিক অ্যাপটি প্রবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বিদেশি কর্মীদের অধিকার লঙ্ঘনকারী অসাধু নিয়োগকারীদের, বিশেষত কোভিড-১৯ পদ্ধতি লঙ্ঘনকারীদের নজরে রাখতে সক্ষম হবে বলে জানিয়েছেন মানবসম্পদ মন্ত্রী দাতুক সেরি এম সারাভানান।

এছাড়া বিদেশি কর্মীর ভিসার মেয়াদ শেষে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার সময় সঞ্চিত বেতনের অংশ ফেরত দেয়া হবে। ফলে মালিকের কাছ থেকে পালিয়ে যাওয়ার প্রবণতাও কমে আসবে।

এফএমএম-এর সভাপতি দাতুক সোহা থিয়ান লাই বলছেন, শ্রমিকদের অর্থ সঞ্চয়, পালিয়ে যাওয়া থেকে সুরক্ষা, স্বল্পমেয়াদি বৈদেশিক বিনিময় হ্রাসের মতো কিছু ইতিবাচক ফলাফল হতে পারে। তবে আরও কিছু দিক বিবেচনা করা উচিত।

এক গবেষণায় দেখা যায়, অন্যান্য দেশের শ্রমিকের তুলনায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের পারিশ্রমিক খুবই কম। কিন্ত বাংলাদেশি শ্রমিকদের অভিবাসন ব্যয় সবচেয়ে বেশি এবং অনেক ক্ষেত্রে তারা বিভিন্নভাবে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন।

যেমন, অল্প পারিশ্রমিক, কারণ ছাড়া নোটিশে চাকরি থেকে প্রত্যাহার, সময়মতো বেতন না দেয়া, পরিমিত খাবার না দেয়া, স্বল্পস্থানে অনেক শ্রমিকের আবাস ও জোরপূর্বক চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয়া। বর্তমানে অভিবাসী শ্রমিকদের কম বেতন একটি প্রধান চ্যালেঞ্জ।

এমতাবস্থায় অভিবাসন খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধিকরণে শ্রমিকের স্বার্থ ও অধিকারে সরকার, নিয়োগকর্তা, হাইকমিশন, এনজিও ও অভিবাসন শ্রমিকের মধ্যে সমন্বয় ঘটাতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন অভিবাসীরা।

মালয়েশিয়া প্রবাসী আজিজ উদ্দিন বলেন, একজন অভিবাসী ইচ্ছে করে অবৈধ হয় না। দালালচক্র ইচ্ছে করে তাকে অবৈধ করে। বৈধ করে দেয়ার নামে একজন শ্রমিকের কাছ থেকে পাসপোর্ট ও আট থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যায়। তখন এই শ্রমিকের আর কিছু করার থাকে না।

আজিজ বলেন, আমাদের বাংলাদেশি কর্মীরা যদি দালালের কাছে না গিয়ে দূতাবাসের পরামর্শে ভালো কোম্পানিতে বৈধতা নেয়ার আহ্বান এ কর্মীর।

একটি গবেষণায় জানা গেছে, যে প্রায় ৩৫.৪ শতাংশ শ্রমিক পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে ঋণ নেয়, ১৮.৭ শতাংশ টাকা ধারক থেকে ঋণ নেয়, স্থানীয় ব্যাংক থেকে ৭.২ শতাংশ, ভূমি বন্ধক রেখে ২.৬ শতাংশ এবং বিদেশি ব্যাংক থেকে ০.৩ শতাংশ ঋণ নেয়।

প্রবাসীরা বলছেন, সরকার শ্রম মাইগ্রেশন খরচ সস্তায় সীমাবদ্ধতার মধ্যে আনতে, নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে, এবং অভিবাসন সমস্যা এবং পুনর্গঠন সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে হবে।

একটি জরিপে দেখা গেছে, ২১৭ সালে দারিদ্র্যের হার ১৬.৫১ শতাংশ ছিল, ২০১৪ সালে এটি ১৯.৭০ শতাংশ ছিল, যা প্রতি বছর ১ শতাংশ হ্রাস পায়। কিন্তু দারিদ্র্য বিমোচনের ক্ষেত্রে বিদেশি অভিবাসীরা উভয় অভ্যন্তরীণ ও অস্থায়ী পরিবারের পেছনে দাঁড়িয়ে আছে।

বিদেশি অভিবাসীদের মধ্যে, দারিদ্র্যের হার ৯.৬০ শতাংশ, অভ্যন্তরীণ অভিবাসীদের মধ্যে এটি ২৮.০৮ শতাংশ এবং অ-অভিবাসীদের জন্য এটি ১৭.৫২ শতাংশ। তুলনামূলকভাবে, ২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত অভিবাসীদের মধ্যে দারিদ্র্যের হার ২৪ শতাংশ এবং অভ্যন্তরীণ অভিবাসীদের মধ্যে ১২.৬৮ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, কিন্তু বিদেশি অভিবাসীদের ক্ষেত্রে এটি ৭.১১ শতাংশ কমিয়েছে।

বর্তমানে বিদেশি অভিবাসীদের গড় মাসিক আয় ৩২ হাজার ৮১৫ টাকা, যখন গড় মাইগ্রেশন খরচ প্রায় দুই লাখ ৭৬ হাজার টাকা। পুরুষ অভিবাসীদের গড় খরচ তিন লাখ ৪২ হাজার টাকা, মহিলা অভিবাসীদের জন্য এর গড় ৮৮ হাজার ৮৭৭ টাকা। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন মাইগ্রেশন, ঋণ এবং সুদের খরচ, এই দৃশ্যকল্প জন্য দায়ী।

ইউপিএম ইউনিভার্সিটির পিএইচডি গবেষক মো. আব্দুর রউফ বলেন, বাংলাদেশ থেকে বিদেশে মাইগ্রেশন খরচ বিশ্বের সর্বোচ্চ এবং বেতন পরিসীমা সর্বনিম্ন। অভিবাসন খরচ কমাতে পদক্ষেপ গ্রহণ না করা পর্যন্ত অভিবাসী পরিবারের সুবিধা হবে না।

বাংলাদেশি অভিবাসীরা খুব কম টাকা উপার্জন করে এবং তাদের বেশিরভাগ উপার্জন পরিবারের জীবনযাত্রার ব্যয় বহন করতে ব্যয় করে। শুধু তাই নয় দেশের অর্থনীতির চাকাকে তারা সচল রেখেছে। তাদের সুবিধা-অসুবিধা দেখভালের দায়িত্ব সরকারের ওপরই বর্তায়।

২০২১ সাল বৈধ কর্মীদের জন্য হতে পারে অপার সম্ভাবনাময় একটি বছর। ২০২০ সালকে নিয়ে করা হিসাবের যোগ-বিয়োগের বাস্তব ফল যাই হউক তবে এটি সত্য যে, অবৈধদের জন্য মালয়েশিয়ায় বসবাসের সুযোগ দিনে দিনে কেবল সংকোচিত হবে।

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ



রে