ঢাকা, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩১

সৌদি প্রবাসীদের জন্য দারুন সুখবর, ১লা জানুয়ারি হতে চালু হচ্ছে ফ্লাইট

বিশ্ব ডেস্ক . ২৪আপডেট নিউজ
২০২০ ডিসেম্বর ৩১ ২১:৪০:৩৬
সৌদি প্রবাসীদের জন্য দারুন সুখবর, ১লা জানুয়ারি হতে চালু হচ্ছে ফ্লাইট

মাসুম শেখ না’রায়’ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানায় এএসআই পদে কাজ করছেন। তার গ্রামের বাড়ি গো’পালগঞ্জের মুকসুদপুরে। তবে এএসআই মাসুম শেখের গ্রে’প্তারের বিষয়ে মুখ খোলেনি আড়াইহাজার থা’না পু’লিশ। আড়াইহাজার থা’নার পরিদ’র্শক (ত’দন্ত) শওকত হোসেন জানিয়েছেন, এএসআই মাসুম শেখ সপ্তাহখানেক ধ’রে ছুটিতে রয়েছেন।

ডা’কাতির মা’মলার নথিপত্রের তথ্য থেকে জানা গেছে, আবদুল আওয়াল নামের এক ব্যক্তি রামপুরার একটি মা’দ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। গত ৮ সেপ্টেম্বর তিনি রামপুরার টিভি সেন্টারের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তখন কথিত বাবু নামের এক ব্যক্তি আওয়ালের কাছে এসে বলেন, পেশায় তিনি রিকশাচালক। তিনি লেখাপড়া জানেন না।

১০০ সৌদি রিয়াল ভা’ঙানোর জন্য তিনি সাহায্য চান। কথোপকথনের একপর্যায়ে আওয়াল ওই ব্যক্তির কাছে জানতে চান, এসব রিয়াল তিনি কোথায় পেয়েছেন? জবাবে বাবু জানান, তার পরিচিত একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ওই রিয়াল রাস্তায় কুড়িয়ে পেয়েছেন। কথিত রিকশাচালক বাবুর কথায় বিশ্বাস করে রিয়াল ভা’ঙিয়ে দেন আওয়াল।

পরে কথিত পরিচ্ছন্নতাকর্মী হায়দারকে আওয়ালের কাছে হাজির করেন বাবু এবং আরও ১ হাজার ৮৬০ রিয়াল ভাঙানোর জন্য মাদ্রাসা শিক্ষক আওয়ালকে অ’নুরোধ করেন কথিত পরিচ্ছন্নতাকর্মী হায়দার। এরপর আওয়ালকে রামপুরার লেহাজ হোটেলের সামনে আসতে বলেন বাবু ও হায়দার। প্র’লোভনে পড়া মাদ্রাসা শিক্ষক আওয়াল রিয়ালগুলো নেওয়ার জন্য নিজের ব্যাংক হিসাব থেকে পাঁচ লাখ টাকা তুলে আসেন লোহাজ হোটেলের সামনে।

আওয়াল পাঁচ লাখ টাকা বাবু ও হায়দারকে বু’ঝিয়ে দেন। তখন বাবু ও হায়দার আওয়ালের হাতে প্যাকেটভর্তি কথিত রিয়াল তুলে দেন। তখনই সেখানে একটি প্রাইভেট কার এসে থামে। প্রাইভেট কার থেকে নেমে তিনজন ব্যক্তি আওয়ালের কাছে আসেন এবং নিজেদের ডিবি পু’লিশের পরিচয় দেন। আওয়ালকে জো’র করে প্রাইভেট কারে তুলে হ্যান্ডকাফ পরান কথিত ডিবি পু’লিশের সদস্যরা। রিয়ালগুলো কার কাছ থেকে সংগ্রহ করেছেন, কাগজপত্র কোথায়- ইত্যাদি নানা কথা জানতে চায় ডিবি পরিচয় দেওয়া তিন ব্যক্তি।

আওয়ালকে মা’মলা দিয়ে জে’লে পাঠানোর কথা জানান তারা। তাকে অ’বৈধ ব্যবসায়ী হিসেবে গ’ণমাধ্যমের সামনে তুলে ধ’রার হু’মকিও দেওয়া হয়। তবে ১০ লাখ টাকা দিলে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়। একপর্যায়ে তার ব্যাংক হিসাবে যত টাকা আছে, তা দেবেন বলে জানান আওয়াল। আওয়ালের ব্যাংক হিসাব থেকে আরও সাড়ে তিন লাখ টাকা তুলে নেয় কথিত ডিবি পু’লিশের দল। পু’লিশের ত’দন্তে উঠে আসে, মাদ্রাসা শিক্ষক আওয়ালের কাছে প্রথমে যিনি রিকশাচালকের পরিচয় দিয়ে রিয়াল ভা’ঙানোর ফাঁ’দ পেতেছিলেন, আসলে তিনি সংঘব’দ্ধ অ’পরাধী চক্রের সদস্য।

তার প্রকৃত নাম আনিছুর রহমান। আর হায়দার পরিচয় দেওয়া কথিত পরিচ্ছন্নতাকর্মী হলেন প্র’তারক চক্রের আরেক সদস্য শওকত। ডিবি পু’লিশের পরিচয় দিয়ে আওয়ালের কাছ থেকে যারা টাকা হাতিয়ে নিয়েছিলেন, তারা ডিবি সদস্য নন। এদের মধ্যে একজন ছিলেন এএসআই মাসুম শেখ। এ ব্যাপারে মা’মলাটির ত’দন্তকারী কর্মক’র্তা ডিএমপি ডিবির লালবাগ বিভাগের সহকারী পু’লিশ কমিশনার (এসি) ফজলুর রহমান বলেন, গত ১৪ ডিসেম্বর মাসুম শেখসহ তার সহযোগীকে গ্রে’প্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জি’জ্ঞাসাবা’দে তারা ডাকা’তির কথা স্বী’কার করেছেন।

তিনি জানান, এএসআই মাসুম শেখ দীর্ঘদিন ধরে ডিবি পু’লিশ পরিচয়ে ডা’কাতি, ছি’নতাইসহ নানা অ’পরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে আসছিলেন। তাদের নেতৃত্বে সংঘব’দ্ধ একটি অ’পরাধীচ’ক্র ঢাকায় ডিবি পু’লিশ পরিচয় দিয়ে অ’পরাধ করে আসছিল। ফজলুর রহমান বলেন, অ’পরাধমূলক কর্মকা’ণ্ডে জ’ড়িত থাকার প্র’মাণপত্র হাতে পাওয়ার পর শহীদ ও মাসুমকে গ্রে’প্তার করা হয়েছে। জ’ব্দ করা হয়েছে ডা’কাতির কাজে ব্যবহার করা পি’স্তল, হ্যা’ন্ডকাফ ও একটি প্রাইভেটকার।

তিনি বলেন, ডিবি পু’লিশের পরিচয়ে এই অ’পরাধী চক্রের সদস্যরা এমনভাবে ডা’কাতি করতো যে, ভু’ক্তভো’গীদের বো’ঝার উপায় থাকতো না তারা আসলে ভু’য়া ডিবি। কারণ, পি’স্তল, হ্যা’ন্ডকাফ সবই পু’লিশের। আড়াইহাজার থা’না পু’লিশ একটি সূত্র জানিয়েছে, উপজে’লার উচিৎপুরা ইউপিতে বিট নং-১০ এর দায়িত্ব পালন করতেন এএসআই মাসুম শেখ।

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ



রে